আইভারম্যাকটিনের পাঁচ দিনের ডোজ ব্যবহারে করোনা ১৪ দিনের মাথায় ৭৭ শতাংশ ভাইরাস মুক্তির প্রমাণ পেয়েছে আইসিডিডিআরবি। পাঁচ দিনে ১২ মিলিগ্রামের ডোজে এই ফল মিলেছে যা অন্য যে কোনো ওষুধের চেয়ে কার্যকর।

তবে এখনই সরাসরি গাইডলাইনে অন্তর্ভুক্ত না করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরও গবেষণার প্রয়োজন বলছে জাতীয় গাইডলাইন কমিটি। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই ওষুধ সেবন না করার কথা বলছেন তারা।

করোনা মহামারিতে কম হয়নি গবেষণা। দেশেও নানাভাবে গবেষণার সঙ্গী হয়েছেন চিকিৎসকরা, তবে এবারই প্রথম কোনও ওষুধ নিয়ে পূর্ণাঙ্গ গবেষণা করল আইসিডিডিআরবি।

৬৮ জন করোনায় আক্রান্ত রোগীর পর জুনের ১০ তারিখ থেকে সেপ্টেম্বর ৮ তারিখ পর্যন্ত এই গবেষণায় নেওয়া হয় ৬৮ জন রোগী।

তিনটি ভাগে ভাগ করে একটি দলকে দেওয়া হয় প্লাসিবো, অন্যদলকে আইভারম্যাকটিনের সঙ্গে ডক্সিসাইক্লিন ও তৃতীয় দলকে শুধু পাঁচ দিন ১২ এমজির আইভারম্যাকটিনের ডোজ দেওয়া হয়। ফলাফল ১৪ দিনের মাথায় প্রথম গ্রুপে ভাইরাস মুক্তির হার ৩৯ শতাংশ। দ্বিতীয় ভাগে ৬১ শতাংশ এবং শুধু আইভারম্যাকটিন খেয়ে ভাইরাস মুক্তির হার ৭৭ শতাংশ।

তবে গবেষণা আরও ব্যাপক আকারে হওয়ার দরকার বলে মনে করে জাতীয় পরামর্শক কমিটি। তার আগে পরীক্ষামূলকভাবে হাসপাতালগুলোতে এই ডোজ ব্যবহারের সুপারিশ করছেন তারা।

তবে অন্তঃসত্ত্বা ও শিশুদের এই ওষুধ না দেওয়ার পরামর্শ গবেষকদের। গবেষণার সার্বিক সহায়তা করেছে বেক্সিমকো ফার্মা।

Leave a Reply