ডেভিড বার্গম্যান হলেন সেই লোক, যিনি প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে সাংবাদিকতা করেন এবং বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করাই যার মূল লক্ষ্য উদ্দিশ্য। বার্গম্যান মূলত নিজেকে পরিচয় দেন একজন ব্রিটিশ সাংবাদিক হিসেবে, যিনি অনেক বছর বাংলাদেশে অবস্থান করেছেন এবং একটা বিশেষ শ্রেণীর এজেন্ট হিসেবে কাজও করেছেন।
‘‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টার’স মেন’’– শিরোনামে তথাকথিত এ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটির ব্যাপ্তি ১ ঘণ্টার বেশি। ভিডিওটি তে যাদের মুখ্য ভূমিকায় দেখা গেছে তাদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন যুদ্ধাপরাধীদের এজেন্ট এবং সাজাপ্রাপ্ত লন্ডনে পলাতক এক বিএনপির নেতার বেতনভুক্ত উপদেষ্টা ডেভিড বার্গম্যান। যিনি বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতাদের মধ্যে অন্যতম ড. কামাল হোসেনের জামাতা। তার মেয়ে ব্যারিস্টার সারা হোসেনের স্বামী।

বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচার চালানোর জন্য প্রায় ১শ’ কোটি টাকার বাজেট নিয়ে মাঠে নেমেছে লন্ডন ষড়যন্ত্রকারী একটি অশুভ শক্তি। কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আলজাজিরায় বাংলাদেশবিরোধী প্রতিবেদন প্রচারের জন্য এই ফান্ডের জোগান দিয়েছে বিএনপি-জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধী গোষ্ঠী। এই বিশাল অঙ্কের টাকা ব্যয়ে একটি প্রতিবেদন প্রচার করানো হয়েছে এবং আরও অন্তত নয়টি প্রতিবেদন প্রচারের জন্য ভাড়ায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছে ওই চ্যানেলটি। প্রতিবেদন তৈরি থেকে শুরু করে চ্যানেলটিতে প্রচারের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ডেভিড বার্গম্যানকে। কে এই বার্গম্যান? আর কারাই বা এই বিশাল অঙ্কের অর্থের জোগান দিয়েছে? লন্ডনে বসে বাংলাদেশবিরোধী প্রচারের ছক কষার নেপথ্য কারিগরই বা কে? এই বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরি করেছে গোয়েন্দা সংস্থা।
গোয়েন্দা সংস্থার সূত্রে জানা যায়, বিশ্ব গণমাধ্যমে নানা কারণে বিতর্কিত, সমালোচিত ও মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোতে নিষিদ্ধ কাতারভিত্তিক আলজাজিরা টেলিভিশন।
ফেইক নিউজ (ভুয়া খবর) পরিবেশন, জঙ্গী গোষ্ঠীকে মদদদান, সন্ত্রাসবাদে উস্কানিদাতা হিসেবে অভিযুক্ত এই চ্যানেলটিতে বাংলাদেশবিরোধী প্রচার করার জন্য ভাড়ায় চুক্তিবদ্ধ করেন ষড়যন্ত্রকারীরা।
প্রামাণ্য চিত্রটি সম্পাদনা করা হয় ডেভিড বার্গম্যানের লন্ডন স্টুডিওতে। এটি নির্মিত হওয়ার পর প্রথমে এটি প্রচারের কথা ছিল বিবিসি চ্যানেল ফোরে। কিন্তু সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় এটি বিবিসি কর্তৃপক্ষ প্রচারে অস্বীকৃতি জানায়। পরে এটি আলজাজিরায় চাংক ভাড়া করে প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়। একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে এ রকম আরও দশটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচারের জন্য চাংক ভাড়া নেয়া হয়েছে আলজাজিরায়। নেত্র নিউজের পক্ষ থেকে এই চাংক ভাড়া নেওয়া হয়েছে। এই ১০ পর্বে এভাবেই সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কুৎসা প্রচার করা হবে বলেও জানা গেছে।

Leave a Reply