‘শিশু বক্তা’ হিসেবে পরিচিত রফিকুল ইসলাম মাদানী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার হয়ে আদালতের নির্দেশে এখন

কারাগারে অবস্থান করছে। বৃহস্পতিবার গাজীপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩-এর বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ নির্দেশ দেন।

এর আগে রাষ্ট্রবিরোধী, উসকানিমূলক ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগে বুধবার নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলা থেকে রফিকুল ইসলাম মাদানীকে আটক করে র‍্যাব।

জিএমপির সহকারী উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) জানান, আটকের পর বুধবার রাত ২টা ৩০ মিনেটের দিকে রফিকুল ইসলাম মাদানীকে জিএমপির গাছা থানায় হস্তান্তর করে র‍্যাব। সেখানে র‍্যাব বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করে। এ মামলায় তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরিফুল ইসলাম জেল-হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বুধবার বলেছিলেন, রফিকুল ইসলাম মাদানী নানা সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে থাকেন। তিনি রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তিনি রাষ্ট্রবিরোধী নানা উসকানিমূলক কথাবার্তা বলেন। এতে জনমনে ভীতির সঞ্চার হয়েছে বলে আমাদের কাছে অভিযোগ রয়েছে। তার এসব ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথাবার্তা জনসাধারণের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। যা সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে।

এর আগে গত ২৫ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় বিক্ষোভ চলাকালে রফিকুল ইসলাম মাদানীসহ ১১ জনকে আটক করা হয়। কয়েক ঘণ্টা আটকে রেখে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

Leave a Reply